জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৭তম
জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে মস্কোয় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শিশু মেলা।
আগামী
১৮ মার্চ শনিবার বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়ার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তমাল পারভেজ জানান, এ শিশু মেলায় প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে জাতির পিতা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান –এর আদর্শ ও দেশপ্রেম উপস্থাপন করা হবে।
স্থানীয় লুনাচার্সকাভা সাংস্কৃতিক
কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য ওই আয়োজনে শিশু মেলা ছাড়াও আরও থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও
আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের
রাষ্ট্রদূত সাইফুল হক।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন অনিল দিক্ষশিত ও তাঁর দল। তাঁরা
পরিবেশন করবেন“অতঃপর দুর্বোধ্যতার বিপরীতে উত্থান”শীর্ষকনৃ-গোষ্ঠীরজ্যাজ
সঙ্গীতানুষ্ঠান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে
বাংলাদেশ থেকে আসছেনচ্যানেল আইসেরা নাচিয়েসিজন থ্রি-এর চ্যাম্পিয়ন
রাশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের গর্ব হৃদি শেখ।
এছাড়া এতে আরও
থাকছেভারতীয় শিল্পীদেরভরত নাট্যম,কথক ও ক্লাসিক্যালনৃত্যদল এবংস্থানীয় বাংলাদেশি ওরুশ শিল্পীদের
পরিবেশনা।
অনুষ্ঠান
দুপুর তিনটায় শুরু হয়ে চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত।
আজ মহান বিজয়
দিবস। ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন
মানচিত্র আর একটি লাল-সবুজ পতাকা।
আজ আমরা প্রাণভরে স্মরণ করছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আমরা গভীরভাবে স্মরণ করছি স্বাধীনতা যুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদকে যারা
বাংলাদেশ এর জন্য অকাতরে নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধের পরে
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে রাশিয়ার (তৎকালিন সোভিয়েত ইউনিয়ন) অবদানের কথা
আজও আমরা কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করি। বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে
বসবাসরত বাঙ্গালিদের জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। প্রতিবছর
বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১
সালের এই দিনে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে
হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার,আল
বদর,আল শামস বাহিনীর লোকেরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে
প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের
স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত হয় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ।
এটি ঢাকার মীরপুরে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধটির স্থপতি মোস্তফা হালি কুদ্দুস। ১৯৭১ সালের
১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী,
রাজাকার ও আল-বদর
বাহিনীর সহায়তায় বাংলাদেশের বহুসংখ্যক বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তাদেরকে মিরপুর
এলাকায় ফেলে রাখে। সেই সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে সেই স্থানে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ
নির্মিত হয়। এ সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নাম জানা ও
না জানা বুদ্ধিজীবীদের সম্মানে নির্মাণ করা হয়েছে ‘শহীদ
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ’।
স্থপতি মো. জামী-আল সাফী ও ফরিদউদ্দিন আহমেদের নকশায় নির্মিত এ স্মৃতিসৌধ ১৯৯৯
সালের ১৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এছাড়া বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ বের
করেছে।
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, মিরপুর ঢাকা।
১৯৭২ সালে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের
সঙ্কলন,পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক নিউজ
ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’-এর সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের লেখা থেকে জানা
যায়,শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।
শহীদ
বুদ্ধিজীবী দিবসে সকল বুদ্ধিজীবীকে আমরা বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া শাখার পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাশিয়ায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা
অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার মস্কোর স্থানীয় একটি ক্যাফেতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আগামী বছরের সংগঠনের বার্ষিক
কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি রফিকুল
ইসলাম মিয়া আরজু। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এমএম তমাল পারভেজ।
সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার বিশেষ সহকারীমাহবুবুল
হক শাকিলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।
নতুন কমিটিকে শুভেচ্ছাজানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন ও সভাপতিশাহরিয়াজ মিতু।
বাংলাদেশের জন্ম ও বঙ্গবন্ধু এবং
সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা শিরোনামে বই প্রকাশ, ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
দিবস উদযাপন, জাতীয় শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধুর
জন্মদিন উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়।
মস্কোতে অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
আল ইমরান ও রহমাতুল্লাহ শুভর জন্য আগামী এক বছরের শিক্ষা বৃত্তি ঘোষণা করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বরএনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক
রফিকুল ইসলাম মিয়াকে সভাপতি ও একই ব্যাংকের আরেক পরিচালক প্রকৌশলী তমাল এস এম
পারভেজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৮ সদস্যের বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া শাখার নতুন কমিটি
গঠন করা হয়।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলা
হয়, বিশ্ব মুসলিমের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় আনন্দ উৎসব হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা । ঈদ উৎসব
মানব মনের আনন্দময় স্বত্তার জাগরণ ঘটায়। তার আত্মাকে মিলনের বোধে উদ্দীপ্ত করে। ঈদুল
আযহার উৎসবে সমাজের সকল ভেদরেখা ও সীমানা অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মহামিলন ঘটায় ও
সৃষ্টি করে পরষ্পরের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছাবোধ। ধনী-গরিব, উচু-নিচু নির্বিশেষে সকল
মানুষকে এক কাতারে দাঁড় করায়। হানাহানি, হিংসা,বিদ্বেষ ও তিক্ততার গ্লানি থেকে মানুষের
মনকে এক স্বর্গীয় শান্তি ও সস্প্রীতির চেতনা দান করে ঈদুল আযহার উৎসব।
ঈদুল আযহা উপলক্ষে
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য রইলো আন্তরিক শুভেচ্ছা
।
রাশিয়ায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে এনআরবি কর্মাশিয়াল
ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজুকে সভাপতি ও একই ব্যাংকের আরেক পরিচালক
প্রকৌশলী তমাল এসএম পারভেজকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৮ সদস্যের এ কমিটি করা হয়।
রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু
প্রকৌশলী তমাল এসএম পারভেজ
বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাশিয়া শাখা সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার মস্কো নগরীর উপকণ্ঠে
ইয়াচাট ক্লাব পেলিকানের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে সংগঠনের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রাধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মস্কোস্থ বাংলাদেশ দুতাবাসের রাষ্ট্রদুত এসএম
সাইফুল হক। বনভোজনে বিভিন্ন পেশার প্রায় ৪০০ জন বাঙ্গালি ও রুশরা অংশগ্রহণ করেন। ওই
অনুষ্ঠানেই আগামী ২ বছরের জন্য বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাশিয়া শাখার নতুন কমিটি ঘোষনা করা
হয়।
এ সময়ে নতুন কমিটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন ও সভাপতি শাহরিয়াজ
মিতু।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাশিয়ার আয়োজনে গত শনিবার মস্কো নগরীর উপকণ্ঠে ইয়াচাট ক্লাব পেলিকানের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে সংগঠনের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।
বনভোজন শিশুদের অংশগ্রহণ
বনভোজন শিশুদের অংশগ্রহণ
লটারির পুরস্কার বিতরণ
সমাপনী পর্বে বক্তব্য রাখছেন সাধারণ সম্পাদক তমাল এসএম পারভেজ
উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত সভাপতি রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু ও সাধারণ সম্পাদক তমাল
এসএম পারভেজ দুজনই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সি প্রেরণকারী হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে
সিআইপি সম্মাননা পেয়েছেন। অনেক বছর যাবৎ তাঁরা স্ব-পরিবার রাশিয়ায় বসবাস করছেন। মস্কোর
বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তাঁরা দুজনই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক হিসেবে সুপরিচিত।
নতুন কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন বেলায়েত হোসেন (সহসভাপতি), নজরুল ইসলাম
(সহসভাপতি), শাহরিয়াজ মিতু (সদস্য), ড. শহিদুল
হক (সদস্য), ড. শফিকুল ইসলাম (সদস্য) প্রমুখ। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত এসএম সাইফুল হক।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের রাশিয়া শাখার নতুন কমিটির সদসবৃন্দ
যথাযথ মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রাশিয়ার মস্কোয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া শাখা ১৯ মার্চ শনিবার মস্কোর ছামেলী রেস্টুরেন্টে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহরিয়াজ মিতুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বেলায়েত হোসেন
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু।
পবিত্র কোরান তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভা শুরু হয়।
বঙ্গবন্ধুর বর্নাঢ্য জীবনী নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করে শোনান সহসাধারণ সম্পাদক সুব্রত সুমন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর জীবনীর ওপর স্মৃতিচারণ এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর ভূমিকা,ত্যাগ ও পরবর্তিতে দেশগড়ার ক্ষেত্রে তাঁর স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো হয়।
অতিথিদের একাংশ
অতিথিদের একাংশ
বক্তব্য রাখছেন কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশফাকুল ইসলাম
বক্তব্য রাখছেন রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য। তাঁর আদর্শকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সর্বস্তরে বাস্তবায়ন করার আহবান জানান তিনি।’
বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি শাহরিয়াজ মিতু বলেন,‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ পথ অনুসরণ করে সবাইকে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসতে হবে,তাহলেই আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।’
বক্তব্য রাখছেন শাহরিয়াজ মিতু
তিনি আরো বলেন,‘একটি সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ গড়তে ও জনগনের স্বার্থ রক্ষায় বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ আমাদের অনুসরন করতে হবে। সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আর এজন্য তরুন সমাজকে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন রাশিয়া ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হেলাল মোর্শেদ, সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, ব্যাবসায়ী ও সমাজ সেবক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন,ফরিদউদ্দীন,
বাংলাদেশ প্রবাসী পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ মোহসিন,বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া শাখার সাবেক সভাপতি শহিদুল হক, রাশিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, সভাপতি মোতালিব পাটওয়ারি বাহার, বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর আন্দ্রই দ্রং, কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশফাকুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে সভাপতি শাহরিয়াজ মিতু কেক কাটেন ।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতাকর্মীসহ মস্কোতে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির নানা পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।