১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। প্রতিবছর
বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১
সালের এই দিনে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে
হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার,আল
বদর,আল শামস বাহিনীর লোকেরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে
প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের
স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত হয় বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ।
এটি ঢাকার মীরপুরে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধটির স্থপতি মোস্তফা হালি কুদ্দুস। ১৯৭১ সালের
১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী,
রাজাকার ও আল-বদর
বাহিনীর সহায়তায় বাংলাদেশের বহুসংখ্যক বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তাদেরকে মিরপুর
এলাকায় ফেলে রাখে। সেই সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে সেই স্থানে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ
নির্মিত হয়। এ সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নাম জানা ও
না জানা বুদ্ধিজীবীদের সম্মানে নির্মাণ করা হয়েছে ‘শহীদ
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ’।
স্থপতি মো. জামী-আল সাফী ও ফরিদউদ্দিন আহমেদের নকশায় নির্মিত এ স্মৃতিসৌধ ১৯৯৯
সালের ১৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এছাড়া বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে একটি স্মারক ডাকটিকিটের সিরিজ বের
করেছে।
![]() |
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, মিরপুর ঢাকা। |
১৯৭২ সালে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের
সঙ্কলন,পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক নিউজ
ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’-এর সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের লেখা থেকে জানা
যায়,শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।
শহীদ
বুদ্ধিজীবী দিবসে সকল বুদ্ধিজীবীকে আমরা বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া শাখার পক্ষ থেকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।


No comments:
Post a Comment